শিলিগুড়ি

সরকারি কোষাগারে ঋণের বোঝায় সাফ না ব্যক্তিগত ঋণের ভার মেয়রের কাঁধে

সরকারি কাজে দক্ষতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার এই তিনটি গুণেই আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন শিলিগুড়ির মহানাগরিক তথা জোড়াফুল প্রার্থী গৌতম দেব। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও যে এতটাই মসৃণ নয়, যা উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায়। ৪৫ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকার ব্যক্তিগত ঋণের ভার রয়েছে মেয়রের কাঁধে। এর মধ্যে ব্যাংকের কাছে হোম লোন রয়েছে ৯ লক্ষ ৮ হাজার ৫২২ টাকার। একটি হোম লোন ফাইন্যান্স সংস্থার কাছ থেকে নেওয়া আরও ২ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার ঋণ।এছাড়াও পরিচিতদের কাছেও রয়েছে ঋণের ভার। অভিজিৎ দেবের কাছ থেকে অস্থায়ীভাবে ১০ লক্ষ টাকা এবং জয় সরকারের কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকার ঋণ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে ঋণের একটি বড় বোঝা থাকলেও, সেই দায় দায়িত্বশীলভাবে সামলাচ্ছেন তিনি। নিয়মিত ইএমআই ও কিস্তি পরিশোধ করে নিজের আর্থিক শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়ে চলেন।

২০২৬ সালে আরও দুটি ব্যাঙ্ক ঋণ নেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন তিনি কমিশনের কাছে দেওয়া হলফ নামায়। যা স্পষ্ট করে যে জীবনের চ্যালেঞ্জ থেকে পিছিয়ে না গিয়ে বরং পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে চলার পথেই বিশ্বাসী তৃনমূল  প্রার্থী অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। প্রভাব খাটিয়ে প্রতিপত্তিশালী হয়ে ওঠার সহজ রাস্তা এড়িয়ে পরিবর্তে  ঋণের বোঝা কঠিন রাস্তায় চলছে তার জীবন। একজন প্রশাসক হিসেবে যেমন তিনি শহরের উন্নয়ন, পরিষেবা ও নাগরিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনেও দায়বদ্ধতায় স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত রেখেছেন।

এই স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধই তাঁকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি শুধু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন না, বরং নিজের জীবনের বাস্তবতাও খোলাখুলি তুলে ধরেন। ফলে তাঁর প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হয়ে উঠছে।