প্রয়োজনে চায়ের দোকানের উদ্বোধনেও যাবো যদি সেখানে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা থাকে। নেটনাগরিকের প্রয়োজনে চায়ের দোকানের উদ্বোধনেও যাবো। নেটনাগরিকের ট্রোলের মুখে ক্ল্যাপ ব্যাক মেয়র গৌতম দেবের
শিলিগুড়ি। প্রয়োজনে চায়ের দোকানের উদ্বোধনেও যাবেন মেয়র, যদি সেখানে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা থাকে। নেটনাগরিকের ট্রোলের মুখে ক্ল্যাপ ব্যাক মেয়র গৌতম দেবের। সামাজিক মাধ্যমে দিনভর চলছে অনলাইন টক্সিসিটি!নেট দুনিয়া জুড়ে অঘোষিত সংঘাত। ইনফ্লুয়েন্সার থেকে নেটাগরিকদের কাদা ছোড়াছুড়ি সম্প্রতি মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় অনেকেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন কলতলার ঝগড়ার কালচার ঘুরছে ফেবুতে থুক্কি ফেসবুকে।অবশ্য বিব্রত বিরক্ত হয়েও সেই মতবাদ মন্তব্যও তারা ছড়িয়ে দিচ্ছেন সেই ফেসবুকের দেওয়াল জুড়ে। ফলে অনলাইন ফ্লেম ওয়ারে মানসিক অবসাদ নেমে এলেও সোশ্যাল মিডিয়ার মতো অসংখ্য মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে যাওয়ার বিকল্প প্রচার মাধ্যম মেলা প্রায় অসম্ভব। তাই বর্তমানে শিল্পী, উদ্ভাবক থেকে জনপ্রতিনিধি সকলেই প্রচার ও সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের কাছে পৌছে যেতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নির্ভরশীল। দিনের খুঁটিনাটি কর্মসূচি থেকে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরাও তুলে ধরেন।
পৃথক আইটি টিমও রয়েছে তৃনমূলের অধিকাংশ জন প্রতিনিধিদের। মেয়র গৌতম দেব অবশ্য দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই সোশ্যাল হ্যান্ডেল বিশেষত ফেসবুকে এককথায় সুপার এক্টিভ। সোশ্যাল মিডিয়ায় সাম্প্রতিককালে প্যারালাল ইউনিভার্স হয়ে উঠেছে!আর সেখানে সমাজিক মর্যাদা ভুলে আক্রমনাত্বক হয়ে ওঠা যেন বীরত্বের প্রমান। শুক্রবার ইস্টার্ন বাইপাসে আমন্ত্রনে সাড়া দিয়ে একটি শোরুমের উদ্বোধনে গিয়েছিলেন মেয়র গৌতম দেব। সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে অন্যান্য কর্মসূচির সঙ্গে আপলোড করা হয়। আর এরপরই নেট নাগরিকদের থেকে উড়ে আসে তীর্যক মন্তব্য যা সোশ্যাল মিডিয়ার ভাষায় ট্রোলিংই বটে।গিরিশ মহাপাত্র নামের এক এককাউন্ট থেকে বলা হয় দাদা শহরের মেয়র আজকাল দোকান উদ্বোধন করে বেড়াচ্ছে? একটা চায়ের দোকান খুললে উদ্বোধনে ডাকলে যাবেন তো?যদিও দীর্ঘদিনের বরিষ্ঠ তাব্বর রাজনীতিবিদ ও দক্ষ প্রশাসক মেয়র গৌতম দেব খুব ভালো ভাবেই জানেন কোথায় ঠিক কি দাওয়াই প্রয়োজন! পাল্টা অনলাইন সর্বস্ব জেন জি-দের ধাঁচেই একেবারে ক্ল্যাপ ব্যাক করে যোগ্য জবাব দেন মেয়র।
কটাক্ষের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত জবাব দিয়ে মেয়র বলেন- প্রয়োজন হলে যাব, যদি প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকে। কারণ কোন কাজই ছোট না।আর যোগ্য জবাবে শহরে স্যাভেজ জেন জি -রা বলছে ফ্লেম ওয়ারের ক্ল্যাপ ব্যাক কিং মেয়র। ট্রোলের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত জবাব দিয়েছেন।


