🔴 পাহাড়ে নেপালি মাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উজ্জ্বল তিন কৃতি পড়ুয়া।মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও মাত্র চার নম্বরের জন্য হাতছাড়া হলো দার্জিলিঙ জেলার মেধা তালিকা নাম। যুগ্ম ভাবে জেলায়।সম্ভব্য প্ৰথম দ্বিপান্বিত রায় ও সোমদত্তা দাস। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছিল দুই নম্বরের জন্য দার্জিলিং জেলার নাম ছিটকে গিয়েছে মেধা তালিকা থেকে। জেলায় এগিয়ে মেয়েরা। ৪৮৩ পেয়ে জেলায় যুগ্ম ভাবে প্রথম দুই ছাত্রী

 

শিলিগুড়ি।পাহাড়ে নেপালি মাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উজ্জ্বল তিন কৃতি পড়ুয়া।মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও মাত্র চার নম্বরের জন্য হাতছাড়া হলো দার্জিলিঙ জেলার মেধা তালিকা নাম। যুগ্ম ভাবে জেলায়।সম্ভব্য প্ৰথম দ্বিপান্বিত রায় ও সোমদত্তা দাস। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছিল দুই নম্বরের জন্য দার্জিলিং জেলার নাম ছিটকে গিয়েছে মেধা তালিকা থেকে। উচ্চ মাধ্যমিকেও নিরাশ হতে হলো জেলার শিক্ষা মহলকে। দার্জিলিং জেলায় নজরকাড়া নম্বর নিয়ে যুগ্ম ভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেছে দুই কৃতি ছাত্রী দীপান্বিতা রায় ও সোমদত্তা দাস। দীপান্বিতা শিলিগুড়ি মাটিগাড়ার বাসিন্দা। শ্রী নরসিংহ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী।তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৩।৯৬.৬শতাংশ। বাবা হিতেন্দ্র নাথ রায় পুলিশ কর্মী। মাটিগাড়া থানার এই পুলিশকর্মীর মেয়ে মাত্র চার নম্বরের জন্য রাজ্যের মেধা তালিকা থেকে ছিটকে গিয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের এই ছাত্রের বিভিন্ন বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বাংলা-৯৬, ইংরেজি- ৯৯,জীব বিদ্যা ৯৬,রসায়ন ৯৭,গণিত-৯৫, পদার্থবিদ্যায় ৮৮। অন্যদিকে একই নম্বর পেয়ে যুগ্ম ভাবে শিলিগুড়ি মার্গারেট সিস্টার নিবেদিতা স্কুলের ছাত্রী বিজ্ঞান বিভাগের সোমদত্তা দাস যুগ্মভাবে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে। তারও মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৩। জেলায় যুগ্মভাবে প্রথম এই দুই কৃতি ছাত্রীরই আগামীতে চিকিৎসক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানেও রয়েছে জেলায় শিলিগুড়ি তরাই তারাপদ আদর্শ বিদ্যালযয়ের ছাত্রী জুনয়না পারভীন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮২। এদিকে উত্তরের পাহাড়ি অংশেও নজর কাড়া ফলাফল হয়েছে এবারের উচ্চ মাধ্যমিকে। নেপালি ভাষায় পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিকে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় তিন কৃতি ছাত্র-ছাত্রীর রাজ্যের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানে নাম উঠে এসেছে।
যদিও তাদের সম্ভাব্য যুগ্ম প্রথম বলা যেতে পারে। কারন পাহাড়ি এলাকার এই তিন কৃতি পড়ুয়ারাই প্রাপ্ত নম্বর ৪৬১। বুধবার উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর টিভির মাধ্যমে কলকাতার পর্ষদের তরফে করা সাংবাদিক বৈঠক থেকেই তারা জানতে পারে, নেপালি মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ফলাফল হয়েছে তাদের। এর মধ্যে কালিম্পঙ গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী রোজি খাতুন তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৬১। একই ভাবে দার্জিলিং সোনাদা হলিক্রস হাই স্কুলের ছাত্রী মমতা অগরওয়াল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৬১ এবং কালিম্পঙ দ্য স্কটিশ ইউনিভার্সিটি মিশন ইনস্টিটিউট-এর কৃতি ছাত্র বিশান্ত বসনেট -এর প্রাপ্ত নম্বর ৪৬১। দার্জিলিং জেলার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৩৮৪৩। ছাত্রের সংখ্যা ৬১৮৭ ও ছাত্রী-৭৫৫৬। এরমধ্যে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা১২২৮৮। জেলার পাশের হার ৮৮.৭৭শতাংশ। যা উত্তরের বেশ কিছু জেলার তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। এদিকে বারবার মেধা তালিকা হাতছাড়া হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন শিলিগুড়ির বিভিন্ন প্রথম সারির স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকারা। শিলিগুড়ি গার্লস এবং শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানেন আমরা চলতি শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করবো। কোথায় খামতি থেকে যাচ্ছে তা চিহ্নিত করে সেভাবে প্রস্তুত করা হবে পড়ুয়াদের।

You cannot copy content of this page