সভা ময়দান থেকে বিপরীত পথে বিহারে পাড়ি অমিত শাহ-র। সভায় লোক সমাগম না হওয়ায় চপার ঘুরিয়ে বিহার মুখী রওয়ানা তোপ তৃণমূলের।শিলিগুড়িতে গলি ক্রিকেটের ছোট ময়দানে সভা করেও ফাঁকা মাঠে ভাষণ দিতে হলো কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে।পাক অধ্যুষিত কাশ্মীর নিয়ে উস্কানী মূলক মন্তব্য থেকে ৩৭০, তিন তালাকের গ্যাস বেলুন ওড়ানোই সাড়!পাহাড়ের রাজনৈতিক স্থায়ী সমাধান থেকে দার্জিলিং পাহাড় সমতলের চা বলয় নিয়ে একটি শব্দও ব্যয় করলেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।

 

শিলিগুড়ি। সভা ময়দান থেকে বিপরীত পথে বিহারে পাড়ি অমিত শাহ-র। সভায় লোক সমাগম না হওয়ায় চপার ঘুরিয়ে বিহার মুখী রওয়ানা তোপ তৃণমূলের।শিলিগুড়িতে গলি ক্রিকেটের ছোট ময়দানে সভা করেও ফাঁকা মাঠে ভাষণ দিতে হলো কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে।পাক অধ্যুষিত কাশ্মীর নিয়ে উস্কানী মূলক মন্তব্য থেকে ৩৭০, তিন তালাকের গ্যাস বেলুন ওড়ানোই সাড়!পাহাড়ের রাজনৈতিক স্থায়ী সমাধান থেকে দার্জিলিং পাহাড় সমতলের চা বলয় নিয়ে একটি শব্দও ব্যয় করলেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের টিকিট কোনোভাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের ধরে বেঁধে নিজের বাগে আনলেও জন সনর্থন শূন্য সাংসদ প্রার্থী রাজু বিস্তা। তার ওপর ভাজপা আপসি যুদ্ধে জেরবার জেলা পদ্ম শিবিরকে লোকসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত মুহূর্তেও এক ছাতার তলায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে দিল্লির দরবার। পাল্টা কার্শিয়াং ভাজপা বিধায়ক বজগাইনের নিজ দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী ময়দানে প্রার্থী হিসেবে নামায় বিজেপির সমর্থকদের একটা বড় অংশ রয়েছে তার সঙ্গে।আবার ভাজপার অন্দরে রাজু বিরোধী শিবিরই ভোটের মুখে সক্রিয় হয়ে বিতর্কিত অডিও থেকে সাংসদ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট সাম্প্রদায়িক তোষনের অভিযোগ তুলে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। পাহাড়েও রাষ্ট্রদ্রোহী বিমল গুরুংয়ের ঘাড়ে ভর করে নির্বাচনী বৈতরণী পারাপারের ক্ষেত্রেও খুব একটা সুবিধে মিলবে না তা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে গিয়েছেন রাজু বিস্তা। যাতে নির্বাচনের মুখে ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে সাংসদ প্রার্থী রাজু বিস্তা। তাই নির্বাচনের শেষ বাজারে প্রচারে দাগ কাটতে ব্যর্থ ভাজপার কেন্দ্রীয় মন্ত্ৰীদের এনে মহল সরগরম করতে ঝাপ দিয়েছে। তবে সে পরিকল্পনাও ফলপ্রসূ হতে দেখা যাচ্ছে না ভাজপার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের জনসভায় সাড়া নেই জনতার। রবিবার দার্জিলিংয়ের লেবঙ-এ স্বরাষ্ট্র ন্ত্রীর অমিত শাহের আসার কথা ছিল। কিন্তু সকাল থেকেই শাহের সভা ঘিরে সে অর্থে পাহাড়বাসীর মাঝে সাড়া মেলেনা। জনসভা স্থলেও পাহাড় বাসীদের টানতেও বেগ পেতে হয়। লোক জমায়েত করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাস্থল ভরাতে পারেনি পদ্ম শিবির থেকে বিমলের গোজামুমু। যা ছবিতে একেবারে পরিষ্কার ধরা পড়ে।শিলিগুড়ি বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে অমিত শাহের কপ্টার সঠিক সময় রওনা দিলেও পাহাড়ে অবতরণ করতে পারিনি আবহাওয়ার কারণ দর্শিয়ে সভা এক প্রকার বাতিল করা হয়। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে দার্জিলিং-এ হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে দুবার সেনার বিশেষ কপ্টার
চক্কর কাঁটে। তবে আবহাওয়ার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় শাহের কপ্টার অবতরণ করতে পারেনি। ঝুঁকির আশঙ্কা করে তৃতীয় দফায় অবতরনের চেষ্টা করেনি পাহাড়ি জমিনে। আকাশ পথেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করে ঘুরিয়ে ভিন রাজ্য বিহারে যান শাহ।জনগনের ক্ষোভের আশঙ্কা করে যদিও ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন। সাংসদ রাজু বিস্তার ফোনে মাইক্রোফোনের সামনে নিয়ে গিয়ে ভাষণ হয়। তবে সকাল থেকেই সভাস্থলের ছবি সামনে আসতেই বিরোধী শিবিরের তরফে সভাস্থল ভরাট না হওয়ায় বিষয়টিকে নিশানা করা হয়। তৃনমূলের দাবি
সভায় লোক সমাগম না হওয়ায় চপার ঘুরিয়ে বিহার মুখী রওয়ানা হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তোপ তৃণমূলের। দার্জিলিঙ জেলা তৃনমূল মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন- তিনি আবহাওয়ার দৃশ্যমান্যতার কারণ দোষ দিয়েছেন আসলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাস্থল ছিল ফাঁকা। সবার স্থলে লোক জমায়েত না হওয়ায় ফাঁকা মাঠ দেখেই এ রাজ্যে ছেড়ে বিহার মুখি রওনা হয়েছেন তিনি। টিপ্পনী কাটাতে বিরত হয়নি দার্জিলিং আঞ্চলিক দল গুলিও। তাদের গোর্খালীর সঙ্গে বারংবার মিথ্যে প্রতিশ্রুতির কারণে লোকসভা ফলাফল যে তাদের পক্ষে যাবে না এই আবহাওয়ার প্রতিকূলতা তার সংকেত। এদিকে শিলিগুড়ি শহরের কেন্দ্র ছেড়ে রেলের বস্তিতে গলি ক্রিকেটের ছোট ময়দানে সভা করেও কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সভাস্থল ভরাতে পারেনি ভাজপা। রেলের বস্তিবাসীদের ভালো খাবারের টোপ দিয়ে এদিন গলি ক্রিকেটের মাঠে আনা হয়। বাইরে থেকে ভিভিআইপি তো দূর সাধারণ স্থানীয় নেতা নেত্রীদের জনসভার আসরও ওই মাঠে কখনও হয়নি। যেকোন ধরনের সভা করার ক্ষেত্রে ওই মাঠ একেবারেই ছোট। এদিন মঞ্চে রাজনাথ সিংহের বক্তব্যে ছিল না পাহাড় ও চা বলয় স্থানীয় কোন ইস্যু। তার ভাষণ জুড়ে ইমিটেশনের গহনার মতই সজ্জিত শব্দ বন্দে ছিল ৩৭০ বিলুপ্তি,তিন তালাক আর পাক অধ্যুষিত কাশ্মীর নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য। যা মঞ্চে বসে বিজেপি প্রার্থী ও বিধায়কদের হাততালি ফুরালেও জনসভা স্থল ও স্থানীয়দের প্রশ্ন এখানে শিলিগুড়ি দার্জিলিং তো দূর উত্তরবঙ্গ এমনকি রাজ্যের কথা কোথায়! তার বক্তব্যে পাহাড় থেকে চা বলয় নিয়ে একটি মাত্র শব্দ খরচ করেননি তিনি। ১৫বছরের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির রাজনৈতিক স্থায়ী সমাধানের বিষয় উল্লেখ করেননি এদিন সভায়। দার্জিলিং এর কথা এড়িয়ে সন্দেশখালি,রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে অযৌক্তিক প্রশ্ন তোলেন।

You cannot copy content of this page